Wednesday, December 8, 2021
Homeজাতীয়আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা চাইলেন বিচারক কামরুন্নাহার

আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা চাইলেন বিচারক কামরুন্নাহার

সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও ধর্ষণ মামলায় এক আসামিকে জামিন দেওয়ার ঘটনায় অবশেষে ক্ষমা চাইলেন বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার। সোমবার (২২ নভেম্বর) তিনি আপিল বিভাগে হাজির হয়ে আদালতের কাছে এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

এর আগে ১১ নভেম্বর আলোচিত রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার ঘটনা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা না নেওয়ার সুপারিশ করেন তিনি। এরি বিরুদ্ধে অনেকেই প্রতিবাদ করে। বিষয়টি পরবর্তীতে আদালতের নজরে আসে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযুক্তরা মামলার বাদী, তার বান্ধবী ও বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয়। ওই দুই শিক্ষার্থী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবী জানতেন না যে, সেখানে পার্টি হবে। তাদের বলা হয়েছিল, এটা একটা বড় অনুষ্ঠান, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে।

সেখানে যাওয়ার পর তারা কাউকে দেখেননি। সেখানে আরও দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী সাফাত ও নাঈমকে ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যেতে দেখেন। এ সময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এ সময় অভিযুক্তরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করেন। ধর্ষণের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন সাফাত। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments