Monday, August 8, 2022
Homeজাতীয়সেপ্টেম্বরে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সেপ্টেম্বরে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

সেপ্টেম্বর মাস থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি বা লোডশেডিং আরও নিয়ন্ত্রিত ও লোডশেডিং কমিয়ে আনার চিন্তাভাবনা চলছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দামের বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত নেবে। তবে গ্যাস ও তেলের দামও সমন্বয় হওয়া উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বারিধারায় নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।

রাত আটটার পর ব্যবসায়ীদের দোকান খোলা রাখার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা রাত আটটার পর দোকান খোলা রাখতে চায়। কিন্তু এই মুহূর্তে দোকান খোলা রাখতে অনুমতি দেয়া সম্ভব হবে না। জরুরি সেবায় নিয়োজিত ছাড়া অন্য সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রাত আটটায় বন্ধ করতে হবে। স্কুলের সময় পরিবর্তনের জন্যও আমরা সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছি। পরিস্থিতির কারণে একঘন্টা করে লোডশেডিং রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে পল্লী বিদ্যুৎ ও অন্যান্য অপারেটরদের এলাকায় তিন চার ঘন্টাও লোডশেডিং হচ্ছে। আমরা আশা করছি সেপ্টেম্বর মাসে আমাদের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ভালো অবস্থায় যাবে, লোডশেডিং কমবে।

তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতিতে আমরা মোটেও চিন্তিত না। অনেকের কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে অফার পাচ্ছি। তবে এখনো এ নিয়ে উপসংহারে আসিনি।

সরকারি কর্মকর্তারা গাড়ির অপব্যবহার করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

লোডশেডিংয়ের জন্য কি পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, একমাস গেলে সব তথ্য বিশ্লেষণ করে বুঝতে পারব- কি হারে জ্বালানি সাশ্রয় হলো।

নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুতের দামের বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত নেবে। এছাড়া, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দামও সমন্বয় হওয়া উচিৎ।

এর আগে বৃহস্পতিবার ‘লেটস টক অন গ্রিন ট্রানজিশন’ অনুষ্ঠানে জ্বালানির প্রসঙ্গে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ট্রাস্টি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী তিনি আরও বলেন, রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধের পর জার্মানি তার ২৫ শতাংশ গ্যাস বিতরণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। বিকল্প জ্বালানি খুঁজছে সবাই। বিশেষত সামনের শীতের জন্য। একই অবস্থা যুক্তরাজ্যের।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ২০০৯ সালে ১২-১৩ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকতো। সেখান থেকে সাময়িক সমস্যার জন্য এখন কয়েক ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। অর্থাৎ প্রাথমিক ধকল সামলে উঠেছি আমরা। ২০০৯ সালে আমরা স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি বিদ্যুৎ খাত নিয়ে। সম্প্রতি জাপানের সহায়তায় আমরা আরেকটি পরিকল্পনা করছি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments